মেনু নির্বাচন করুন
১২ ফেব্রুয়ারী ১৯৪৮ সালে সর্বপ্রথম আনসার বাহিনী গঠিত হয়। তৎকালীণ পূর্ববাংলা আইন পরিষদে আনসার এ্যাক্ট অনুমোদিত হলে ১৭ই জুন’৪৮ তা কার্যকর হয়। বাহিনী বর্তমানে পরিচালিত হচ্ছে আনসার বাহিনী আইন ১৯৯৫ এবং ব্যাটালিয়ন আনসার আইন যা সংসদ কর্তৃক গৃহীত হলে ১৫ ফের্রুয়ারী’৯৫ মহামান্য রাষ্ট্রপতির অনুমোদন লাভ করে এবং ১৬ ফেব্রম্নয়ারী’ ৯৫ হতে কার্যকর হয়। এই আইন অনুসারে সংবিধানের ১৫২ অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী আনসার বাহিনী একটি শৃঙ্খলা বাহিনী। সিলেট-সুনামগঞ্জ রোডের আখালিয়ায় আনসার ও ভিডিপি কার্যালয়, সিলেট অফিসটি অবস্থিত।

সাধারণ তথ্য

সাংগঠনিক কাঠামো

কর্মকর্তাবৃন্দ

ছবিনামপদবিফোনমোবাইলইমেইল
আশীষ কুমার ভট্টাচার্যজেলা কমান্ড্যান্ট ০৮২১-৭১৭৭৭৮০১৭৩০০৩৮০৮২dcasylhet@rocketmail.com
মোহাম্মদ আজহারুল হুদাসার্কেল অ্যাডজুট্যান্ট০১৭১৩২৪৫০৯৩dcasylhet@yahoo.com

কর্মচারীবৃন্দ

ছবিনামপদবি
মোঃ নুরুজ্জামানউচ্চমান সহকারী
সুমন আলীঅফিস সহকারী
মোঃ ইমরাম আহম্মেদঅফিস সহায়ক
মোঃ আব্দুল হাদী ইমননৈশ্য প্রহরী

প্রকল্পসমূহ

আনসার ও ভিডিপি কার্যালয়, সিলেট এর বর্তমানে কোন প্রকল্প চলমান নেই।

যোগাযোগ

জেলা আনসার ও ভিডিপি কার্যালয়

আখালিয়া, সিলেট-৩১০০।

ফোন: ০৮২১-৭১৭৭৭৮

ই-মেইল: dcasylhet@yahoo.com

কী সেবা কীভাবে পাবেন

ক্রমিক

নং

                  সেবার নাম

দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা / কর্মচারী

 সেবা প্রদানের পদ্ধতি

(সংক্ষেপে)

সেবা প্রাপ্তির প্রয়োজনীয় সময় ও খরচ

সংশ্লিষ্ট আইন

/ বিধি/ নীতিমালা

নির্দিষ্ট সেবা পেতে

ব্যর্থ হলে পরবর্তী

প্রতিকারকারী কর্মকর্তা

০১

মৌলিক, কারিগরি ও পেশাভিত্তিক প্রশিক্ষণ প্রদান

 

১. উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা

২. উপজেলা প্রশিক্ষক ও প্রশিক্ষিকা

 

আর্থিক বছরের শুরুতে বাৎসরিক প্রশিক্ষণ নির্দেশিকা প্রাপ্তির পর উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা, উপজেলা প্রশিক্ষক/প্রশিক্ষিকা ও ইউনিয়ন দলনেতা/দলনেত্রীর সাথে পরামর্শক্রমে প্রাথমিক প্রশিক্ষণার্থী বাছাইপূর্বক জেলা কমান্ড্যান্ট এর নিকট প্রেরণ করেন। জেলা কমান্ড্যান্ট উপজেলা হতে প্রাপ্ত তালিকা যাচাই-বাছাই করে চূড়ান্ত তালিকা প্রণয়ন ও প্রশিক্ষণার্থীদেরকে প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে প্রেরণ করেন। আনসার ও ভিডিপি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে প্রশিক্ষণার্থীদেরকে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদান করে সফলভাবে প্রশিক্ষণ সমাপ্তকারীদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।

প্রশিক্ষণের সময় ব্যতীত প্রায় ১৪ দিন

 

(বার্ষিক নির্দেশিকা অনুযায়ী নির্দিষ্টকৃত সময়);

বিনামূল্যে

১। গ্রাম প্রতিরক্ষা দল আইন,১৯৯৫

২। আনসার বাহিনী আইন, ১৯৯৫

৩। আনসার বাহিনী প্রবিধানমালা ১৯৯৬

৪। বাৎসরিক প্রশিক্ষণ নির্দেশিকা

১. জেলা কমান্ড্যান্ট

২. রেঞ্জ পরিচালক

০২

সরকারি-বেসরকারি সংস্থায় সাধারণ আনসার অঙ্গীভূতকরণের মাধ্যমে নিরাপত্তা প্রদান

জেলা কমান্ড্যান্ট ও উপজেলা কর্মকর্তা

 

প্রত্যাশিত সংস্থাকে নিরাপত্তার জন্য আনসার সদস্য চেয়ে নির্ধারিত ফরমে জেলা কমান্ড্যান্ট বরাবর আবেদন করতে হয়। সংস্থার আবেদনের প্রেক্ষিতে জেলা কমান্ড্যান্ট সংশ্লিষ্ট উপজেলা আনসার-ভিডিপি কমর্কর্তাকে সরজমিনে পরিদর্শনপূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের নিদের্শ দেন। উক্ত পরিদর্শন প্রতিবেদন প্রাপ্তি সাপেক্ষে জেলা কমান্ড্যান্ট নিজে কিংবা ক্ষেত্র বিশেষে তার উপযুক্ত প্রতিনিধির মাধ্যমে অধিকতর যাচাই করে নিজস্ব মতামতসহ সম্মিলিত পরিদর্শন প্রতিবেদন রেঞ্জ কমান্ডারের নিকট উপস্থাপন করেন। রেঞ্জ কমান্ডার প্রতিবেদনের যৌক্তিকতা ও ক্ষেত্র বিবেচনা করে সন্তোষজনক পেলে মহাপরিচালকের নিকট প্রেরণ করেন। মহাপরিচালক কর্তৃক সন্তোষজনক বিবেচিত হলে অনুমোদন করে জেলা কর্যালয়ে প্রেরণ করেন। অত:পর আবেদনকারীর আবেদন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আনসার সদস্য সরবরাহ করা হয়।

প্রায় ১ মাস;

নিরাপত্তা সেবা প্রাপ্তি নিশ্চিত হলে যতজন আনসার সদস্য নিরাপত্তার জন্য নিয়োজিত হবেন তাদের প্রত্যেকের তিন মাসের বেতন ভাতা এবং প্রত্যেকের প্রতিদিনের ভাতার ১০% আনুষঙ্গিক হিসেবে জেলা কমান্ড্যান্ট এর নিকট চেকের মাধ্যমে অগ্রীম প্রদান করতে হবে

আনসার বিধিমালা-২০০৬

১। রেঞ্জ পরিচালক

২। সদর দপ্তর

০৩

সরকারি-বেসরকারি সংস্থায় অঙ্গীভূতকরণের লক্ষ্যে সাধারণ আনসার প্যানেল প্রস্তুতকরণ ও অফার প্রদান

 

জেলা কমান্ড্যান্ট ও উপজেলা কর্মকর্তা

 

১। আর্থিক বছরের শুরুতে বাৎসরিক প্রশিক্ষণ নির্দেশিকা প্রাপ্তির পর উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা উপজেলা প্রশিক্ষক/ প্রশিক্ষিকা ও ইউনিয়ন দলনেতা/দলনেত্রীর সাথে পরামর্শক্রমে প্রাথমিক প্রশিক্ষণার্থী বাছাইপূর্বক জেলা কমান্ড্যান্ট এর অনুমোদন গ্রহণ করেন। জেলা কমান্ড্যান্ট উপজেলা হতে প্রাপ্ত তালিকা যাচাই-বাছাই অন্তে চূড়ান্ত তালিকা প্রনয়ণ ও প্রশিক্ষণার্থীদেরকে প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে প্রেরণ করেন।

২। আনসার ও ভিডিপি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র প্রশিক্ষণার্থীদেরকে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদান করবেন ও সফলভাবে প্রশিক্ষণ সমাপ্তকারীদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করবেন।

বার্ষিক নির্দেশিকা অনুযায়ী;

বিনামূল্যে

আনসার বিধিমালা-২০০৬

১. জেলা কমান্ড্যান্ট

২. পরিচালক, রেঞ্জ

০৪

আনসার ও ভিডিপি সদস্য হিসেবে প্রত্যয়ন পত্র ইস্যু

জেলা কমান্ড্যান্ট

 

প্রত্যয়ন পত্রের জন্য আনসার ভিডিপি সদস্যদের জেলা কমান্ড্যান্টের নিকট আবেদন দাখিল করতে হয়। জেলা কমান্ড্যান্ট প্রাপ্ত আবেদন যাচাইযের জন্য সংশ্লিষ্ট উপজেলা আনসার ও ভিডিপি অফিসারের (ইউএভিডিপিও) নিকট প্রেরণ করেন। ইউএভিডিপিও  প্রাপ্ত আবেদনের সঠিকতা যাচাই করে জেলাতে মতামত/প্রতিবেদন দেন। প্রাপ্ত মতামত/ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে জেলা কমান্ড্যান্ট প্রত্যায়ন পত্র প্রদান করেন এবং জেলা থেকে আবেদনকারীগণ তা সংগ্রহ করে থাকেন।

৫-১০ দিন ;

বিনামূল্যে

নাই

রেঞ্জ পরিচালক

০৫

আবেদনের ভিত্তিতে তথ্য প্রদান

সংশ্লিষ্ট দপ্তর প্রধান

 

আবেদনকারীকে তথ্যের বর্ণনা দিয়ে তথ্য অধিকার আইন, ২০০৬ অনুযায়ী নির্ধারিত ফি দিয়ে নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হয়। আবেদন যাচাই বাছাই করে তথ্য অধিকার আইন অনুযায়ী তথ্য প্রস্তুত করা হয়। পরবর্তীতে নির্ধারিত তারিখে আবেদনকারী তথ্যপত্র সংগ্রহ করেন। আর তথ্য অধিকার আইন অনুযায়ী তথ্য প্রদান সম্ভব না হলে তাও আবেদনকারীকে  অবহিত করা হয়।

২-৩ দিন (তবে তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ অনুযায়ী সর্বোচ্চ ৩০ দিন) ;

বিনামূল্যে

তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯

১. জেলা কমান্ড্যান্ট

২. পরিচালক (প্রজেক্ট)

আনসার ও ভিডিপি

৩. সদর দপ্তর

 

০৬

স্বেচ্ছাসেবী সদস্য হিসেবে

প্লাটুনভুক্তিকরণ

উপজেলা আনসার ‍ও

ভিডিপি কর্মকর্তা

 

সেচ্ছাসেবী সাধারণ আনসার সদস্য হিসেবে প্লাটুনভুক্ত হওয়ার জন্য উপজেলা আনসার ও ভিডিপি অফিসারের নিকট যে কেউ আবেদন করতে পারেন। উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা নিজে অথবা ইউনিয়ন দলনেতা/ দলনেত্রীর মাধ্যমে আবেদন যাচাই/বাছাই করে প্লাটুনভূ্ক্ত করেন এবং আবেদনকারীকে অবহিত করেন। আর প্লাটুনভুক্ত করার উপযুক্ত না হলে বাতিল করেন।

নির্দেশিকা অনুযায়ী;

বিনামূল্যে

আনসার ও ভিডিপি আইন, ১৯৯৫

জেলা কমান্ড্যান্ট

 

০৭

ভাতা ভিত্তিক স্বেচ্ছাসেবী

ইউনিয়ন দলনেতা/দলনেত্রী নিয়োগ

 

 

জেলা কমান্ড্যান্ট

 

ইউনিয়ন দলনেতা/ দলনেত্রীর পদশূন্য হলে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের আনসার সদস্যদের মধ্য হতে উক্ত পদ পূরণ করা হয়। এজন্য জেলা কমান্ড্যান্ট বরাবর আবেদন করে উপজেলা আনসার ও ভিডিপি  অফিসে দাখিল করতে হয়। উপজেলা আনসার ভিডিপি অফিসার আবেদনগুলোকে একীভূত করে জেলা অফিসে প্রেরণ করেন। জেলা কমান্ড্যান্ট আবেদনকারীদের ডেকে যাচাই বাছাই করেন। নির্বাচিতদের প্রশিক্ষণের জন্য প্রেরণ করা হয়। যারা প্রশিক্ষণে উত্তীর্ণ হন তাদের ইউনিয়ন দলনেতা/ দলনেত্রী হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়।

 

শূন্যপদের ভিত্তিতে;

বিনামূল্যে

আনসার ও ভিডিপি আইন, ১৯৯৫

রেঞ্জ ও সদর দপ্তর

প্রদেয় সেবাসমুহের তালিকা

ক্রমিক নং

সেবার নাম

সেবার পর্যায়

(সদর দপ্তর, রেঞ্জ, ব্যাটালিয়ন, জেলা, উপজেলা পর্যায়)

১।

মৌলিক, কারিগরি ও পেশাভিত্তিক প্রশিক্ষণ প্রদান

উপজেলা, জেলা, রেঞ্জ, ভিটিসি ও আনসার-ভিডিপি একাডেমি

২।

সরকারি-বেসরকারি সংস্থায় সাধারণ আনসার অঙ্গীভূতকরণের মাধ্যমে নিরাপত্তা প্রদান

জেলা

৩।

সরকারি-বেসরকারি সংস্থায় অঙ্গীভূতকরণের লক্ষ্যে সাধারণ আনসার প্যানেল প্রস্তুতকরণ ও অফার প্রদান

জেলা

৪।

আনসার ও ভিডিপিসদস্য হিসেবে প্রত্যয়ন পত্র ইস্যু

জেলা

৫।

আবেদনের ভিত্তিতে তথ্য প্রদান

উপজেলা, ব্যাটালিয়ন,জেলা, রেঞ্জ, একাডেমি ও সদর দপ্তর

৬।

আবেদনের ভিত্তিতে স্বেচ্ছাসেবী আনসার ও ভিডিপি সদস্য হিসেবে প্লাটুনভুক্তিকরণ

উপজেলা

৭।

আবেদনের ভিত্তিতে স্বেচ্ছাসেবী ইউনিয়ন দলনেতা-দলনেত্রী নিয়োগ

জেলা

তথ্য অধিকার

সিটিজেন চার্টার

আনসার ও ভিডিপি অধিদপ্তর

 

এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে গ্রাম প্রতিরক্ষা দলের সদস্য-সদস্যাগণ ভিডিপি সংগঠন সম্পর্কে ধারনা লাভ করেন এবং ভিডিপি প্লাটুনের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম হন। প্রশিক্ষণের নিয়মাবলী নিম্নরূপঃ

  • সংশ্লিষ্ট গ্রামের ৩২ জন পুরুষ এবং ৩২ জন মহিলা সমন্বয়ে গঠিত দু’টি প্লাটুনকেবিনামূল্যে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।
  • গ্রামের সুবিধাজনক স্থানে ১০ (দশ) দিনের এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রমপরিচালিত হয়।
  • একটি গ্রামে একবার এই প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।
  • প্রশিক্ষণার্থীকে সর্বনিম্ন অষ্টম শ্রেণী পাশ হতে হয়।
  • প্রশিক্ষণার্থীর বয়স সর্বনিম্ন ১৮ এবং সর্বোচ্চ ৩০ বছর।
  • প্রশিক্ষণ ভাতা হিসাবে দৈনিক ৯০ টাকা হারে ১০ দিন প্রশিক্ষণে ৯০০ টাকা প্রশিক্ষণ ভাতা প্রদান করা হয়।
  • প্রশিক্ষণ শেষে প্রাপ্ত ৯০০ টাকা থেকে ১০০ টাকা মূল্যের আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের ১টি শেয়ার ক্রয় করতে হয়।
  • প্রশিক্ষনার্থীকে প্রশিক্ষণ শেষে সনদপত্র প্রদান করা হয়।
  • এক গ্রামের সদস্যকে অন্য গ্রামে প্রশিক্ষণ দেয়া হয় না।
  • জেলা কমান্ড্যান্ট আর্থিক বছর শুরুর আগেই উপজেলা কর্মকর্তার সুপারিশ মোতাবেক গ্রাম নির্বাচন করেন।
  • এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে গ্রামের ভিডিপি পুরুষ ও মহিলা প্লাটুন সমূহ পুনগঠিত হয়।
  • প্রশিক্ষণ গ্রহণকারী সদস্য সদস্যাগণ ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণীর সরকারী চাকুরীতে নির্ধারিত১০% কোটায় আবেদন করার সুযোগ পান

 

এই প্রশিক্ষণ গ্রহণ করলে সদস্য ও সদস্যাগণ সাধারণ আনসার হিসেবে দায়িত্ব পালনে সক্ষম হন এবং অংগীভূত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেন। এই প্রশিক্ষণের নিয়মাবলী নিম্নরূপঃ

  • জেলা সদরে প্রাথমিক পর্ব এবং ধারাবাহিকভাবে গাজীপুরের সফিপুর আনসার-ভিডিপি একাডেমীতে চূড়ান্ত পর্বে এ প্রশিক্ষণ পরিচালিত হয়।
  • উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা কোটা অনুযায়ী সদস্য ও সদস্যা বাছাই করে জেলা কমান্ড্যান্ট এর কার্যালয়ে তালিকা প্রেরণ করেন।
  • আনসার আইন ১৯৯৫ এবং আনসার বাহিনীপ্রবিধানমালা ১৯৯৬এর আলোকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে নিম্নরূপ যোগ্যতাসম্পন্ন হতে হয়ঃ

ক) বয়স ১৮ হতে ৩০ বছর।

খ) শিক্ষাগত যোগ্যতা ন্যূনতম অষ্টম শ্রেণী পাশ। তবে এসএসসি বা তদূর্ধ ডিগ্রীধারীগণকে প্রশিক্ষণ গ্রহণে অগ্রাধিকারদেয়া

    হয়।

গ) উচ্চতা

(অ) সর্বনিম্ন ১৬০ সেন্টিমিটার অর্থাৎ ৫র্- ৪র্ (পুরুষের ক্ষেত্রে)

(আ) সর্বনিম্ন ১৫০ সেন্টিমিটার অর্থাৎ ৫র্- ০র্ (মহিলার ক্ষেত্রে)

(ই) বুকের মাপ ৭৫ সেন্টিমিটার হইতে ৮০ সেন্টিমিটার অর্থাৎ ৩০র্ - ৩২র্ (পুরুষের ক্ষেত্রে)।

(ঈ) দৃষ্টি শক্তিঃ ৬/৬

  • সাধারণ আনসার মৌলিক প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের সময় শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ এবং চারিত্রিক ও নাগরিকত্ব সার্টিফিকেট দাখিল করতে হয়।
  • প্রশিক্ষণকালীন প্রশিক্ষণার্থীদের বিনামূল্যে থাকা, খাওয়া, পোষাক-পরিচ্ছদ প্রদান করা হয়।
  • এ প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের জন্য কোন সদস্যের নিকট হতে কোন অর্থ গ্রহণ করা হয় না।
  • এ প্রশিক্ষণ সাফল্যজনকভাবে সমাপ্তির পর দেশের বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী কেপিআই/গুরুত্বপূর্ণ সংস্থায় অংগীভূত হয়ে নিরাপত্তা বিধানের দায়িত্বপালন করে।
  • প্রশিক্ষণ গ্রহণকারী সদস্য/সদস্যাগণ দূর্গাপূজা, জাতীয় ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দায়িত্ব পালনের জন্য স্বল্পকালীন সময়ের জন্য অংগীভূত হয়ে থাকেন।
  • সদস্য............১০% সরকারী চাকুরীর কোটা........................

 

            মৌলিকপ্রশিক্ষণ ছাড়াও পেশাভিত্তিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে একজন আনসার ভিডিপি সদস্য/সদস্যা স্বনির্ভর হবার সুযোগ পায়। আনসার-ভিডিপি সংগঠন প্রতিবছর নিম্নবর্ণিত বিভিন্ন ধরনের পেশাভিত্তিক প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকেঃ

  • মৎস্য চাষ প্রশিক্ষণ (সাধারণ আনসার এবং ভিডিপি পুরুষ)।
  • কম্পিউটার বেসিক কোর্স (ব্যাটালিয়ন আনসার, সাধারণ আনসার ও ভিডিপি সদস্য-সদস্যা)।
  • ইলেকট্রিশিয়ান কোর্স (ভিডিপি সদস্য/ব্যাটালিয়ন আনসার/সাধারণ আনসার)।
  • নকশি কাঁথা কোর্স (ভিডিপি সদস্যা)
  • ব্লাক বেঙ্গল জাতের ছাগল পালন প্রশিক্ষণ (ভিডিপি পুরুষ)।
  • উন্নত প্রযুক্তিতে আলু চাষ, সংরক্ষণ ও ব্যবহার শীর্ষক প্রশিক্ষণ (ভিডিপি পুরুষ)।
  • ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ (ভিডিপি পুরুষ)।
  • গবাদী পশু পালন কোর্স (ভিডিপি পুরুষ)।
  • হাঁস-মুরগী চিকিৎসা ও পালন কোর্স (ভিডিপি পুরুষ)।
  • ফ্রিজ ও এয়ার কন্ডিশনার মেরামত কোর্স (ভিডিপি পুরুষ/সাধারণ আনসার)।
  • অমৌসুমী সবজি চাষ প্রশিক্ষণ (আনসার-ভিডিপি পুরুষ/মহিলা)।
  • উন্নত প্রযুক্তিতে নার্সারী স্থাপন প্রশিক্ষণ (আনসার-ভিডিপি পুরুষ/মহিলা)।
  • দেশীয় পদ্ধতিতে হাঁস-মুরগীর বাচ্চা স্ফুটন ও পালন (আনসার-ভিডিপি মহিলা)।
  • নারকেলের মালাই থেকে বোতাম তৈরী প্রশিক্ষণ (ভিডিপি সদস্যা)।
  • আধুনিক ফলচাষ প্রশিক্ষণ (আনসার ও ভিডিপি পুরুষ)।
  • উন্নত মানের আমচারা উৎপাদন প্রশিক্ষণ (ভিডিপি সদস্য)।
  • স্ট্রবেরী চাষ ও উৎপাদন প্রশিক্ষণ (ভিডিপি পুরুষ)।
  • উন্নত জাতের মাশরুম চাষ প্রশিক্ষণ (ভিডিপি সদস্য)।
  • সেলাই প্রশিক্ষণ (আনসার সদস্যা/ভিডিপি সদস্যা)।

 

যে কোন সরকারী বা বেসরকারী প্রতিষ্ঠান/সংস্থায় চাহিদা বিবেচনা করে তাদের নিরাপত্তা রক্ষার জন্য নিম্নলিখিত পদ্ধতি অনুসরণ করে আনসার অংগীভূত করে দায়িত্বে নিয়োগ করা হয়।

  • জেলা কমান্ড্যান্টের সার্বিক তত্ত্বাবধানে একটি কমিটি কর্তৃক পূর্ব নির্ধারিত তারিখে আনসার বাছাই করে ভবিষ্যতে অংগীভূত করার জন্য প্যানেল প্রস্ত্তত করা হয়।
  • বর্তমানে তিন বছরের জন্য সংস্থায় আনসার অংগীভূত করা হয় অর্থাৎ ১জন আনসারের অংগীভূতির মেয়াদ একনাগাড়ে তিন বছর।
  • অংগীভূতিকাল সমাপ্তির দুই বছর পর কোন আনসার পুনরায় অংগীভূত হতে পারে।
  • এক জেলার আনসার সদস্য অন্য জেলায় অংগীভূত হতে পারবেন না। তবে ঢাকা, নারায়নগঞ্জ, গাজীপুর, চট্র্গ্রাম ও খুলনা জেলার বেলায় এই নিয়ম প্রযোজ্য নয়।
  • জেলা কমান্ড্যান্টপ্যানেলের ক্রমিক অনুযায়ী অংগীভূতিরআদেশ জারী করে থাকে। কোন প্যানেলভুক্ত আনসার অংগীভূতিরজন্য রিপোর্ট না করলে পরবর্তী ক্রমিক নম্বর ধারীকে অংগীভূত করা হয়।
  • আনসার সদস্যদের অংগীভূতির জন্য ফায়ারিং অভিজ্ঞতাসহ মৌলিক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হতে হয়।
  • অংগীভূতি হওয়ার জন্য প্যানেলভুক্তির নিমিত্তে নিম্নলিখিত যোগ্যতা প্রয়োজনঃ

(ক) বয়সঃ ১৮ থেকে ৫০ বছর।

     শিক্ষাগতযোগ্যতাঃ ৮ম শ্রেণী পাস, তদূর্ধদের অগ্রাধিকার দেয়া হয়।

     উচ্চতাঃ ৫র্ - ৪র্ (পুরুষ), ৫র্ -৪র্ (মহিলা) (অধিক উচ্চতা সম্পন্নপ্রার্থীদেরঅগ্রাধিকার দেয়া হয়)।

     বৈবাহিক অবস্থা বিবাহিত/অবিবাহিত উভয়ই।

(খ) ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান/ওয়ার্ড কমিশনার কর্তৃক প্রদত্ত চারিত্রিক ও নাগরিকত্ব সনদ পত্র, শিক্ষাগত যোগ্যতা সনদের

     সত্যায়িত কপি, সাধারণ আনসার মৌলিক প্রশিক্ষণের সনদ, পুলিশ ভেরিফিকেশন রিপোর্ট, জেলা কমান্ড্যান্ট কর্তৃক প্রদত্ত

     অনাপত্তি পত্র (অন্য জেলার প্রার্থির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য), ০৬ কপি পাসপোর্ট এবং ০৩ কপি স্ট্যাম্প সাইজের ছবি ইত্যাদি

     প্রয়োজন হয়।

  • যোগ্যতার ভিতিত্তে সংস্থায় আনসার অংগীভূত করা হয়। সুতরাং এ বিষয়ে আর্থিক লেনদেন দন্ডনীয় অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।
  • সাধারণত বছরের শুরুতে এবং মাঝামাঝি সময়ে অংগীভূতির জন্য প্যানেল প্রস্ত্তত করা হয়। বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে ঢাকা, চট্টগ্রাম, নারায়নগঞ্জ, গাজীপুর জেলার বিশেষ প্যানেল প্রস্ত্তত করা হয়।
  • পিসি/এপিসি দৈনিক ২৫০.৩৯টাকা হিসাবে ৩০ দিনে ৭,৫১১.৭০টাকা, আনসার দৈনিক ২৩৪.০০ টাকা হিসাবে ৩০ দিনে ৭,০২০.০০টাকা বেতন-ভাতা হিসাবে প্রাপ্ত হন। এছাড়া পিসি/এপিসি ৫,৫৯৫.৩০টাকা হারে ২টি এবং আনসার ৫,১০৩.৬০টাকা হারে ২টি উৎসব বোনাস প্রাপ্ত হন।
  • প্রত্যেক অংগীভূত আনসার সরকারী নিধারিত হারে মাসে ২৮ কেজি গম, ২৮ কেজি চাল এবং ২ লিটার ভোজ্য তেল ভতুর্কি মূল্যে প্রাপ্ত হন।
  • অংগীভূত হয়ে দায়িত্ব পালনকালে দুর্ঘটনাজনিত কারণে আনসার সদস্যগণ বিভাগীয় কল্যাণ তহবিল হতে চিকিৎসা ব্যয় বাবত আর্থিক সহায়তা লাভ করেন।
  • কন্যা বিবাহ, মেধাবী সন্তানদের উচ্চতর শিক্ষার জন্য আনসার সদস্যগণ আর্থিক সহায়তা প্রাপ্ত হন।
  • কৃতিত্বপূর্ণ কাজের জন্য বিশেষ সম্মাননা পদক ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।

  

বিজ্ঞপ্তি

ডাউনলোড

আইন ও সার্কুলার